Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

নিবন্ধনের জন্য ৬৫টি দলের আবেদন: কার্যকর কমিটি নেই, অনেকের নেই কার্যালয় বা সাইনবোর্ডও

 নিবন্ধনের জন্য ৬৫টি দলের আবেদন: কার্যকর কমিটি নেই, অনেকের নেই কার্যালয় বা সাইনবোর্ডও


বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে ৬৫টি রাজনৈতিক দল। তবে এসব দলের মধ্যে অধিকাংশেরই নেই কার্যকরী কমিটি, আবার কিছু দল কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। অনেক দলের তো কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত নেই, এমনকি সাইনবোর্ডও দেখা যায় না।

এসব নতুন রাজনৈতিক দলের মধ্যে বেশ কয়েকটি গঠিত হয়েছে মাত্র গত নয় মাসে। তাদের অনেকেই শুধুমাত্র নামসর্বস্ব সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত।

গত মার্চ মাসে নির্বাচন কমিশন নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য গণ-বিজ্ঞপ্তি জারি করলে এসব দল আবেদন করে।

এমনই একটি দল ‘বাংলাদেশ মুক্তি ঐক্যদল’। ইসিতে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দলটির কেন্দ্রীয় সভাপতি হলেন মো. নুর ইসলাম শিকদার।

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা জানতে চাওয়া হলে মি. শিকদার বিবিসি বাংলাকে বলেন, "ঝড়ে আমার পার্টির সাইনবোর্ড উড়ে গেছে। নতুন করে সাইনবোর্ড বানাতে অর্ডার দিছি"।

নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা এমন নতুন কয়েকটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বলেছে বিবিসি বাংলা। কারও কারও দেয়া তথ্যমতে, দল নিবন্ধনের জন্য ইসির দেয়া শর্ত পূরণ করতে পারেনি অনেকেই।

নিয়ম অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য মাঠ পর্যায়ে যাচাই বাছাই শেষেই নিবন্ধন দেয় নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে এত সংখ্যক দলের যাচাই বাছাই শেষে নিবন্ধন দিতে কত সময় লাগবে, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

যদিও নির্বাচন কমিশন বলছে, আবেদনের পর আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে যাচাই বাছাই শেষে নিবন্ধন দেয়ার কথা বলছে ইসি।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "দলগুলোকে নিবন্ধন দিতে আমাদের একটা চেকলিস্ট রয়েছে। নিবন্ধনের আগে আমরা দেখবো নতুন আবেদনকারী দলগুলো তাদের শর্ত পূরণ করছে কি-না"।

বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে ৫০টি। সেগুলোর মধ্যে বেশ কিছু দল এখন সক্রিয় নেই।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, দল নিবন্ধন দেয়ার পর আর নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধিত দলগুলোর কার্যক্রম নিয়ে কোন তদারকি না করার কারণে নাম সর্বস্ব দলগুলো বাড়ছে।

এ নিয়ে আরো পড়তে পারেন

Post a Comment

0 Comments